জাতীয় নির্বাচন ২০১৮: নাগরিক প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪:৪৮ মিঃ, জুলাই ২১, ২০১৮



বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা মাসুমা আক্তার। মানিকগঞ্জ-এর সন্তান, ইডেন কলেজ থেকে সমাজকল্যান বিষয়ে মাষ্টাস করে নর্দান  বিশ্ববিদ্যালয়ের  থেকে আইন বিষয়ে পড়ালেখা শেষে বতমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একজন আইনজীবী হিসাবে প্রাক্টিস করছেন। সম্প্রতি ঢাকা টেক্সেস বারে নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্যানেল থেকে নির্বাচন করে, ভোটারদের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি।

জাতীয় নির্বাচন ২০১৮ নিয়ে কথা হয় তার সাথে

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : আপনার নির্বাচনী এলাকা কোনটি এবং সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন কি?

সৈয়দা মাসুমা আক্তার : মানিকগঞ্জ-৩ (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া থানা মিলে এই আসন)। হ্যাঁ ভোট দিয়েছি এবং এবার তৃতীয়বারের ভোট দিব।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : আসন্ন জাতীয় নির্বাচন কেমন দেখতে চান ?

সৈয়দা মাসুমা আক্তার : অবশ্যই আমাদের দেশরতপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপার নেতৃত্বে সুষ্ট ও স্বচ্ছ নির্বাচন হবে। তাই সবার অংশগ্রহনে একটি সুন্দর নির্বাচন দেখতে চাই।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : জাতীয় নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ কতটুকু প্রয়োজন বলে মনে করেন?

সৈয়দা মাসুমা আক্তার : আমি যেহেতু আওয়ামী লীগ এর সাথে জড়িত, আমি বিশ্বাস  করি দেশের উন্নয়নে নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমি চাই সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক এবং গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হোক।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : গত নির্বাচনে তো সব দল অংশগ্রহণ করেনি এই ক্ষেত্রে আপনার মতামত কি ?

সৈয়দা মাসুমা আক্তার : যেদল দেশকে ভালোবাসে, গণতন্ত্রের চর্চা করে বা ধারণ করে, সেদল নির্বাচনে অবশ্যই আসবে। যারা বাংলাদেশকে ভালোবাসে তারা নির্বাচনে আসবে। যারা চায়নি বাংলাদেশের স্বাধীনতা হোক, তারা এখনো তালবাহানা করছে যাতে নির্বাচন না হয়, দেশের উন্নয়ন না হয়। তারা অতীতেও এমন করেছে এখনোও করছে, তবে ভবিষ্যতে যাতে এমন না হয় সেই কাজ আওয়ামী লীগ সরকার করে যাচ্ছে।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : তার মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন যারা নির্বাচনে আসছে না তারা দেশের জন্য ভালো কিছু করেনি ?

সৈয়দা মাসুমা আক্তার : না, আমি সেটা বলছি না। আপনি যে জায়গায় জন্মগ্রহণ করবেন, সেই জন্ম স্থানের সাথে আপনার সরাসরি সম্পৃক্ততা আছে। সেই জন্মভূমির সাথে আপনার আবেগটা কিন্তু ডিরেক্ট (সরাসরি) কাজ করবে। বাংলাদেশ তৈরীতে যাদের ভূমিকা ছিলো তাদের ভালবাসা, তাদের প্রেমটা কিন্তু ভিতর থেকে তাদের একধরণের আকুলতা থাকবে, ব্যাকুলতা থাকবে। তাদের দেশের প্রতি ভালবাসাটা কিন্তু একটু বেশী। আর যারা দেশ গঠনে সম্পৃক্ত ছিলো না তাদের আবেকটা কিন্তু কম। এমনো গোষ্টি আছে যারা গণতন্ত্র চায় নাই, এ দেশের স্বাধীনতা চায় নাই। স্বাধীনতা  হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা হিসাবে কাজ করেছে তারা ছিলো, এখনো আছে। যারা দেশকে ভালবাসতে জানে না তারা এটার পক্ষে-বিপক্ষে কি ভাবে কথা বলে। তাদের মায়া কম, ভালবাসা কম। তারা আসলে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি করবেনা, তারা যে কোন সময় যে কোন মত প্রকাশ করতে পারে। যে কোন রুপ ধারণ করতে পারে।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : আপনার এলাকায় এখন পর্যন্ত কোন দলের থেকে বেশীবার জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন

সৈয়দা মাসুমা আক্তার : আমাদের এলকায় আওয়ামী লীগ বিএনপি দুই দলই নির্বাচিত হয়েছে। দুই দলই কাজ করেছে, তবে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশী উন্নয়ন হয়েছে। আমাদের এলাকায় একসময় বিএনপি ‘র দাপট থাকলেও এখন আওয়ামী লীগের গণজোয়ার বইছে।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কেমন যোগ্যতাসম্পন্ন সংসদ প্রতিনিধি প্রত্যাশা করেন ?

সৈয়দা মাসুমা আক্তার : অবশ্যই শিক্ষিত হতে হবে। শিক্ষার যে আলো আছে তার দ্বারাই অন্ধকার দূর করা সম্ভব। এমন একজন জনপ্রতিনিধি দরকার যার আমার এলাকার প্রতিটি মানুষের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা আছে। যিনি সব সময় জনগনের পাশে আছেন এবং নির্বাচিত হবার পরেও থাকবেন। আসলে জনগন তো ঐ মানুষটাকে চায়, যে জনগনের সুখ-দুঃখের কথা সরাসরি শুনবেন এবং পাশে থাকবেন। লিডার (নেতা) তাকেই হতে হবে, যার এই ধৈর্য্য থাকবে, এই সময়টা (জনগনকে সময় দেবারমত সময়) যার থাকবে, তেমন প্রার্থী চাই।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : জনগনের প্রত্যাশানুযায়ী প্রার্থীরা মনোনয়ন পায়না, সেই ক্ষেত্রে আপনার মতামত কি?

সৈয়দা মাসুমা আক্তার : জনগন যেটা চায় সেটাই গণতন্ত্র। গণতন্ত্র চর্চার কথা যদি বলি, মুষ্টিমেয় জনগনের প্রত্যাশা অনুযায়ী লিডার (নেতা)কে মনোনয়ন দেওয়া হয় যা উচিৎ নয়। সেই ক্ষেত্রে আমরা কিন্তু এখনো স্বয়ংসম্পূর্ণ নই। টেকনিক্যাল কিছু বিষয় থেকে যায়, তাই সিলেকশন ( মনোনয়ন) গুলো সেইভাবে হয়ে উঠে না।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : মনোনয়ন পাবার ক্ষেত্রে জনপ্রিয় প্রার্থীকে, নাকি শিক্ষিত প্রার্থীকে বেশী গুরুত্ব দিবেন ?

সৈয়দা মাসুমা আক্তার : জনপ্রিয়তার সাথে তো শিক্ষিত হওয়ার একটা ব্যাপার থাকে। তবে শিক্ষার মাধ্যমেই শিক্ষাগত যোগ্যতার দ্বারাই কিন্তু তার নূন্যতম জায়গাটা সে তৈরী করে নিতে পারে। আর সব শিক্ষিত লোক কিন্তু জনপ্রিয় হতে পারেনা।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : আপনার এলাকার একজন সংসদ সদস্য আছেন, তিনি কিন্তু জনপ্রিয় তেমন একাডেমিক শিক্ষিত না হলেও ?

সৈয়দা মাসুমা আক্তার : আসলে আমি তার কথাই বলতে চাচ্ছিলাম; শিক্ষিত হলেই জনপ্রিয় হওয়া যায়না। কিন্তু তিনি জনপ্রিয় হয়েছেন তার গুন দিয়ে। তিনি যেভাবে জনপ্রিয় হয়েছেন তেমন হয়তো সারা বাংলাদেশে মাত্র কয়েকজন আছেন। তিনি একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধিও।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : একটা দেশের টেকসই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় জনপ্রতিনিধি পরিবর্তনের দরকার আছে কি ?

সৈয়দা মাসুমা আক্তার : নির্বাচন একটা টোটাল কমপজিশন, এটিতে সারাদেশের জনগনের একটা চিন্তা ভাবনার বর্হিপ্রকাশ থাকে। এটাই একমাত্র প্লাটফর্ম। নির্বাচনের মাধ্যমেই জানা সম্ভব হয় যে, সারা দেশের জনগন কি বলছেন।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : ধন্যবাদ আপনাকে।

পুরান ঢাকার চাংখারপুলের বাসিন্দা জনাব আলতাফ খান ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়ার ভোটার বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসি। প্রতি বছর দেশে আসেন এবং পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন। জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কথা বলেছেন দ্য পার্লামেন্ট ফেইস-এর সঙ্গে।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : আসন্ন জাতীয় নির্বাচন কেমন দেখতে চান?

আলতাফ খান : আসলে নির্বাচন সম্পর্কে আমার ধারনা অনেকের সাথে মিলবে না। একটা ধান ক্ষেতে ধান চাষ করতে প্রথম দরকার হয় জমিকে তৈরী করা। বাংলাদেশ সোনার দেশ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশ, এদেশ এখনো নির্বাচনের জন্য গণতন্ত্রের জন্য তৈরী হয়নি। আগে মানুষদেরকে গণতন্ত্র সম্পর্কে বুঝানো উচিৎ। গণতন্ত্র যদি না বুঝানো হয়, তাহলে তারা পাঁচ টাকায় ভোট বিক্রি করে দেয়। তারা জিজ্ঞেস করে “ছক্কু মিয়া আমি ভোট দিমু কারে ?” অন্যের কথায় ভোট দেয়। সেই দেশে ভোটই হচ্ছে একটা প্রহসন। এখন সেখানে নির্বাচন! আমরা শুধু জানি যে “গণতন্ত্র”। আমি বিগত ত্রিশ বছর আমেরিকায় আছি। আমেরিকায় আমি দেখিনি কোন ফেয়ার নির্বাচন হয়। পৃথিবীর কোথাও ফেয়ার বলতে নির্বাচন হয় না। গণন্তন্ত্র বলতে আসলে কিছু নাই। আমি মনে করি এটা মানুষের স্বপ্ন। গরীব দেশে, অল্প শিক্ষিত লোকের দেশে ঝগড়া লাগিয়ে দেয়ার জন্য গণতন্ত্র হচ্ছে একটা “বোম”।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : এবারের জাতীয় নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ কি প্রত্যাশা করেন?

আলতাফ খান : আমি সব দলকে প্রত্যাশা করিনা। কারন আমি বিএনপিকে কোন দিন ভরসা করি না।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : আপনার এলাকায় কেমন নির্বাচনী প্রার্থী আশা করেন ?

আলতাফ খান : আমি আশা করি সৎ, শিক্ষিত, সাহসী বঙ্গবন্ধুর মত নেতৃত্ব প্রদানকারী নেতা। আমার রাজনীতির প্রতীক, আর্দশের প্রতীক বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুর মত মানুষ আমি পছন্দ করি।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : একটা দেশের টেকসই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় জনপ্রতিনিধি পরিবর্তনের দরকার আছে কি ?

আলতাফ খান : প্রথমত: গণতন্ত্রকে বুঝাতে হবে। ভোটার তৈরী করা, প্রতিনিধি তৈরী করা। আর এখান থেকে প্রতিনিধি তৈরী হলে রাজনীতিতে স্বচ্ছতা আসবে। মানুষকে পয়সার বিনিময়ে বা কোন কিছুর বিনিময় ছাড়া ভোট দিতে হবে। দেশের ভবিষ্যতের জন্য ভোট দিতে হবে।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : ধন্যবাদ আপনাকে।

চট্টগ্রামের শাককুড়াতে জন্মগ্রহণকারী নির্মল কান্তি বড়ুয়া ঢাকা  বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করে বর্তমানে একুশে টেলিভিশনে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক হিসাবে কর্মরত আছেন। ঢাকা গুলশানবনানী নির্বাচনী এলাকায় সর্বশেষ ভোট দিয়েছেন প্রতীক দেখে তবে তাকে যোগ্য প্রার্থী মনে হয়নি। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে কথা হয় তার সাথে।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : আপনার নির্বাচনী এলাকা এবং সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন কি?

নির্মল কান্তি বড়ুয়া  : আমার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা (গুলশান-বনানী)। হ্যাঁ, ভোট দিয়েছি, তবে গত নির্বাচনে আমি যাকে ভোট দিয়েছি তাকে আসলে আমার যোগ্য প্রার্থী মনে হয়নি। আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে বড় হয়েছি, হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুকে লালন করি। আমি জানিনা উনি বঙ্গবন্ধুর অনুসারী কি না! তবে দলীয় মনোনয়ন তাকে দেওয়ায় আমি ভোট দিয়েছি আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হিসাবে।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : আসন্ন জাতীয় নির্বাচন কেমন দেখতে চান ?

নির্মল কান্তি বড়ুয়া  : আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠ ও স্বাভাবিক হবে দেখতে চাই। তবে নির্বাচনটা আমাদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ। কারণ বর্তমান সরকার যে উন্নয়নের  ধারায় এগিয়ে যাচ্ছেন তা দেশের টেকশই উন্নয়নে দরকার। বর্তমানে যে ধরনের কাজকর্ম বা উন্নয়ন হচ্ছে তা আমরা অতীতে দেখি নাই। গণতন্ত্রের বিষয়গুলো অনেক বিস্তৃত অনেক চর্চার, অনেক শিক্ষার প্রয়োজন আছে।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : জাতীয় নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ কতটুকু আপনি দেখছেন ?

নির্মল কান্তি বড়ুয়া : আমি তো মনে করি একটা সরকার পরিবর্তন হয়। মানুষের জন্য কাজ করতে হয়, যারা মানুষের জন্য কাজ করতে চায় নির্বাচনের মাধ্যমে তারাই সরকার গঠন করে। সত্যিকার অর্থে যারা গণতন্ত্র চর্চা করে, তারা অবশ্যই নির্বাচনে আসবে। আমরা চাই নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন হবে এবং সব দলের অংশগ্রহনে নির্বাচন হবে। প্রত্যেকটা দেশেই একটা সরকার থাকা অবস্থায়, একটা সংসদ থাকা অবস্থায় নির্বাচন হয়। তদ্রুপ আমি মনে করি বাংলাদেশে এই ধারা বজায় থাকুক, মানুষ গণতন্ত্রের চর্চা শিখুক। সুন্দর একটা পরিবেশ সৃষ্টি করুক। সবার সহযোগিতার প্রয়োজন আছে, সবাইকে এই বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। সুষ্ঠ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন করে দেশের উন্নয়ন করতে হয়।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : গত নির্বাচনে প্রার্থীকে যোগ্যতাসম্পূর্ণ মনে হয়নি আপনার এবার নির্বাচনে কেমন প্রার্থী প্রত্যাশা করছেন ?

নির্মল কান্তি বড়ুয়া  : জনপ্রতিনিধি এমন একজনকে চাই আমরা যিনি খারাপ কাজ করবেন না, মানুষের সাথে থেকে জনগনের পক্ষে কাজ করবেন। তাকে গণতন্ত্রমনা হতে হবে। হিংসাতœক মনোভাবের হলে হবে না, আমি চাই শিক্ষিত ও সুন্দর মনোভাবের প্রার্থী। দেশের উন্নয়নের জন্য শিক্ষিত, মার্জিত জনপ্রতিনিধি দরকার। শিক্ষার তো একটা গুন আছে। আর শিক্ষিত মানুষের মানবিক চিন্তুা ভালো হবে, শিক্ষার আলো যার মাঝে আছে তার সব কিছু সহজে উপলব্দি করার ক্ষমতাও আছে, শিক্ষার আলো থাকলে মানবিক গুনগুলো থাকবে।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : একটা দেশের টেকসই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় জনপ্রতিনিধি পরিবর্তনের দরকার আছে কি ?

নির্মল কান্তি বড়ুয়া  : আমি আগেও বলেছি নির্বাচন ছাড়া পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসলে হবেনা। জনপ্রতিনিধিদের অবশ্যই গণতন্ত্রের নিয়মে নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্বাচিত হতে হবে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ¦ারাই কেবল দেশের উন্নয়ন সম্ভব।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : আপনি কি মনে করেন সব দলের অংশগ্রহনে আগামি নির্বাচন হবে ?

নির্মল কান্তি বড়ুয়া: এটা সত্য কথা নির্বাচন দরকার। আমাদের দেশে নির্বাচন দরকার, আমরা চাই সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। ভালো কিছু উন্নয়ন যেমন দরকার তেমনি গণতান্ত্রিক দেশে গণতান্ত্রিক নিয়ম নীতি মেনে অবাধ সুষ্ঠ একটি নির্বাচন দরকার।

দ্য পার্লামেন্ট ফেইস : ধন্যবাদ আপনাকে।

নির্মল কান্তি বড়ুয়া  : আপনাকেও ধন্যবাদ।

মন্তব্যঃ সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ 656 বার।





এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ আপডেট

বিএসএমএমইউ-তে চিকিৎসার ব্যাপারে আরও সময় চান খালেদা এরা কী আন্দোলন করবেন, সবাই তো মঞ্চে ঘুমাচ্ছিলেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চান ড. কামাল নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী চার হাজার মামলার কারণ জানতে চেয়ে রিট গায়েবি মামলায় ২২ দিনে আসামি ৩ লাখ ২৫ হাজার : রিজভী ১০ জেলায় নতুন ডিসি ধানের শীষ জনগণের কাছে বিষ : কাদের মংলা-বুড়িমারী বন্দরে শতভাগ দুর্নীতি : টিআইবি আসন বাড়লেও কমেছে এমবিবিএস ভর্তিচ্ছুর সংখ্যা! পাক-ভারত সেনাবাহিনীর মধ্যে ফের উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হুমকি বিএনপি পার্টিটাই ভুয়া : কাদের ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার চাওয়া-পাওয়ার কিছুই নেই’ ইরানে সামরিক কুচকাওয়াজে হামলা, নিহত বেড়ে ২৪
Designed & Developed by TechSolutions Bangladesh